কিভাবে আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়িয়ে নিবেন তার কৌশল

দ্রুত আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়িয়ে ফেলুন

আপনি নিয়মিত আপনার চ্যানেল এ ভিডিও আপ করুন। কিছু দিন পর থেকে দেখতে পারবেন আপনার চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইবার নিয়মিত বাড়ছে। এই জন্য আপনাকে নিয়মিত ভিডিও আপ করতে হবে আর ইউনিক ভিডিও আপ করতে হবে। তবে হ্যাঁ আপনি অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট সময় করে ভিডিও আপ করবেন এবং নিয়মিত। সাধারণত আপনি যে ভিডিওগুলো আপলোড করবেন, সেগুলোর বর্ণনাতে অবশ্যই আপনার অন্য ভিডিওর লিংক যোগ করবেন। এছাড়া আপনার বর্ণনার মধ্যে অবশ্যই ভিউয়ার কে সাবস্ক্রাইব করতে অনুরোধ করবেন। যদি সম্ভব হয় তাহলে মজাদার জোকস বলে আপনার ভিউয়ার কে সাবস্ক্রাইব করতে বলতে পারেন। আবার অনেকেই মনে করেন চ্যানেলে অনেকগুলো ভিডিও থাকলে অনেক বেশি সাবস্ক্রাইবার পাওয়া যায়। এটি আসলেই একটি ভুল ধারনা। আপনি যদি কয়েক শো ভিডিও আপ করেন যেগুলো যদি কোন কাজেরই না হয় বা কোন নিস থাকে না, তাহলে আপনি কোনদিনও সাবস্ক্রাইবার পাবেন না এমনকি ভিউ ও পাবেন না, বরং সাবস্ক্রাইবার হারাবেন। কারণ সাধারণত কেউই চায় না অন্যের ভিডিও দিয়ে তার ইফটিউব একাউন্ট ভরে থাক। আপনি সাধারণত যখনই সিডিউল মেইনটেনন করে আপনার ভিডিও আপলোড করবেন, তখন আপনার ভিডিওটি ইফটিউব তার সার্চ রেজাল্টে এক নাম্বারে নিয়ে আসবে এবং সবার কাছে শো করবে।

 

আপনার ভিডিও আপলোড করার ক্ষেত্রে যেই সকল বিষয়ে অবশ্যই নজর রাখবেনঃ

১. ভিডিও টি নিজের ক্যামেরা বা ফোন থেকে করা। অর্থাৎ ভিডিও টির মালিক আপনাকে হতে হবে।

২. সম্পূর্ন ইউনিক এবং কপিরাইট বিহীন এমন ভিডিও যেটি কেউ সত্ত্বাধিকারী বা দাবীদার নয়।

৩. সব বয়সী লোকের কাছে গ্রহণযোগ্য এমন ভিডিও বানাতে হবে।

৪. সঠিক অডিও স্ট্রিম হতে হবে। অন্য কারো মিউজিক হলে হবে না।

৫. সঠিক ভিডিও বিট-রেট, ফ্রেম রেট, রেজুলেশন, অডিও বিট-রেট এগুলো সব সঠিক হতে হবে।

৬. সাধারণত কমিডি টাইপের কিছু হলে বেশ ভাল এবং তা চ্যনেলের জন্য খুবই কার্যকর। এতে করে আপনি ভিউ বা সাবস্ক্রাইবার বেশি পাবেন।

৭. ভিডিও টাইম ৪-৬ মিনিট লেংথ এর ভিডিও। সাধারণত লেংথ বেশী হলে ইউজারের বিরক্তি চলে আসে এতে করে সে চলে যায় এবং এটি আপনার চ্যানেল এর জন্য অনেক ক্ষতিকর।

৮. অবশ্যই ভিডিওতে আপনার চ্যনেলের লোগো ব্যবহার করেন। এতে চ্যনেলের প্রতি ইউজারের বিশ্বাস দৃঢ় হবে এবং তারা অবশ্যই আপনার চ্যানেল সাবস্ক্রাইবার করবে।

৯. আপনার ভিডিও এর শেষের দিকে এমন কিছু ফান বা আকর্ষনীয় টাইপের কথা বা লিখা দিয়ে আপনার চ্যনেল সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করতে পারেন।

 

সাধারণত যে সকল ভিডিও আপলোড না করাই ভালঃ

১. সাধারণত অন্য কোন চ্যনেল/কোম্পানির ভিডিও যদি হয় যেমনঃ মিউজিক ভিডিও, টিউটরিয়াল, মজার ভিডিও সহ অন্যান্য সব ভিডিও সমূহ। এতে করে ইউটিউব এর কাছে চ্যনেলের রেপুটেশন কমে যায়। তখন এতা স্প্যাম বলে আখ্যা পায় ইউটিউব এর কাছে।

২. ইউটিউব সাধারণত আগেই থেকেই কপিরাইট করা কোন ভিডিও পাবলিশ করার সুযোগ দেয় না।

৩. আপনি যখন কোন কোম্পানির ভিডিও ব্যবহার করেন তখন চ্যনেল/কোম্পানির লোগো লাগানো এমন ভিডিও যেটি দ্বারা সেই কোম্পানির নিজস্ব সত্ব প্রকাশ পায়।

৪. কাউকে হয়রানি বা  হেয় প্রতিপন্ন করা এমন ভিডিও কোনভাবেই ছাড়া যাবে না। কেননা ইউ টিউব কখনও এতা সাপোর্ট করে না।

৫. আবার এমন ভিডিও যার ব্যাকগ্রাউন্ডে অন্য কোন কোম্পানির মিউজিক রয়েছে এবং অই মিউজিক টা আগেই ইউ টিউব এ পোস্ট করা হয়েছে।

৬. ইউ টিউব এ নেই কিন্তু ইন্টারনেটে আগেই আপলোড হয়েছে এমন ভিডিও ভুলেও আপলোড করবেন না। এতা ও স্প্যাম এর শামিল।

 

ইউটিউব পার্টনারের জন্য করনীয়ঃ

১. আপলোড করা ভিডিও অবশ্যই ১০০ ভাগ নিজের তৈরী হতে হবে এবং এর কোন অংশ কপি করা বা কোন ইমেজ, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, সুর ইত্যাদি অন্যের ব্যবহার করা যাবে না । অর্থাৎ ভিডিও সম্পূর্ন ইউনিক হতে হবে।

২. দুই একটি ভিডিও আপলোড করেই শেষ নয়। আপনাকে নিয়মিত ধারাবাহিক ভাবে ভিডিও আপলোড করতে হবে এবং শিডিউল মেনে পোস্ট করতে হবে।

৩. অবশ্যই আপনার ভিডিও তে বেশী ভিউওয়ার্স থাকতে হবে এবং সাবস্ক্রাইবার বেশি হতে হবে।

৪. যদি আপনার করা ভিডিওগুলি বানিজ্যিক ভাবে সফল হয় তাহলে অবশ্যই Youtube নিজে থেকেই পার্টনার করে নেয়।

৫. গুগুলের এডসেন্স থাকলে আপনার পার্টনার হতে বেশ সুবিধা।

 

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *